মনিদিপা - bengali sex novel

বাংলা সেক্স গল্প,Bānlā sēksa galpa,যৌন গল্প,Discover endless Bengali sex story and novels. Browse Bengali sex stories, bengali adult stories ,erotic stories. Visit seccaraholic.website
User avatar
sexy
Platinum Member
Posts: 4069
Joined: 30 Jul 2015 14:09

Re: মনিদিপা - bengali sex novel

Unread post by sexy » 18 May 2016 07:18

“সামনে থেকে হাত সরা, আমি দেখতে চাই তোর শক্ত ওটা কে…” মনিদিপার আদেশের সাথে সাথে চোখের আগুনে দেবশ ঝলসে উঠছে। হাত সরিয়ে নিল দেবেশ, টং করে লিঙ্গটা মনিদিপার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে গেল। লাল মাথাটা ভিজে উঠেছে।

কাঁপা আওয়াজে জিজ্ঞেস করল, “আমি ন্যাংটো আর তুমি ত সব পরে, বাঃ রে এটাত ঠিক হল না।”

হেসে ওঠে মনিদিপা, গোলাপি ঠোঁটের আড়াল থেকে মুক্তর মতন সাজান দুপাটি দাঁত চমকে উঠল, “বাপরে ছেলের তাড়া দেখ। আমি না বড়, আমার কথা ত আগে শুনবি তবে না মজা।”

মনিদিপা আস্তে আস্তে করে ট্যাঙ্কটপের নিচে হাত দিল, ধিরে ধিরে করে উঠাতে শুরু করল টপ। দেবশ হাঁ করে দেখছে সাধের মনিদিপাদির গোল পেট, একটু একটু করে উন্মচিত হল সুগভীর নাভিদেশ, আরও ওপরে উঠছে টপ, স্তনের ওপর দিয়ে একটানে খুলে ফেলল মনিদিপা। কোমরের ওপরে পুরোপুরি অনাবৃত মনিদিপা। দেবশ হাঁ করে দেখছে, মনিদিপার সুগোল কোমল স্তন দুখানি, কালচে বাদামি রঙের স্তনের বোঁটা একদম ফুলেফুটে আছে, দুখানি স্তন যেন কাঞ্ছনজঙ্ঘা শৃঙ্গ। গায়ের রঙ যেন মাখনের মতন, ঘরের আলোও ওই ত্বকে পেছল খাচ্ছে।

দুই হাত দিয়ে নিজের বুকের ওপরে আলত করে বুলিয়ে নিয়ে দেবশের দিকে মিষ্টি হেসে মনিদিপা জিজ্ঞেস করল, “কিরে কেমন দেখছিস?”

কি বলবে দেবশ, এত সুন্দর নারী কে এত কাছ থেকে দেখতে পাওয়ার সৌভাগ্য ওর ত কনদিন ঘটেনি। স্থানুর মতন দাঁড়িয়ে গরুর মতন মাথা নাড়ল দেবেশ। দেবশের মুখ থেকে যেন জল পড়ছে, লিঙ্গটা চড়ক গাছ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমতা আমতা করে উত্তর দিল দেবেশ, “মনিদি…… আমি পাগল হয়ে যাবো গো…।”

“পাগল ত তুই আমাকে করবি, সেই জন্য ত তোকে তৈরি করছি রে…” ঠোঁটে কামনার হাসি, চোখে আগুন নিয়ে বলল মনিদিপা।

কোমরে হাত দিল মনিদিপা, একটু একটু করে স্কার্টএর এলাস্টিক নিচে নামতে থাকে। প্রথমে তলপেট তার পরে দেখা দিল হাল্কা রোমের আভাস, আরও নিচে নামছে স্কার্ট। দেবশের হাত চলে গেল লিঙ্গের ওপরে, শক্ত মুঠিতে ধরে রইল কঠিন লিঙ্গটিকে। স্কার্ট আরও নেমে যাচ্ছে, বেরিয়ে এল লাল ছোটো প্যান্টি। ফর্সা গায়ের রঙ তারওপরে লাল প্যান্টিটা বেশ মানিয়েছে। কোমর একটু নাড়িয়ে স্কার্ট টি মাটিতে ফেলে দিল মনিদিপা। পরনে শুধু মাত্র একটি ছোটো লাল প্যান্টি যা শুধু মাত্র কোন রকমে যোনি দেশ ঢেকে রেখেছে। আর থাকতে পারল না দেবেশ, নিজের মুঠির মধ্যে লিঙ্গটিকে নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু করে দিল।

মনিদিপা হেসে বলল, “করিস কি রে, সব কিছু ত শেষ হয়ে যাবে তাহলে…”
ককিয়ে উত্তর দিল দেবেশ, “না গো আর পারছিনা ধরে রাখতে.. তুমি যা দেখাচ্ছ তাতে আমার শুধু মাত্র দেখেই হয়ে যাবে গো..”

দু হাত বাড়িয়ে কাছে ডাকল মনিদিপা, “আয় তোর মনিকে একটু জড়িয়ে ধরবিনা…”
ছুটে গেল দেবশ, দুহাতে জড়িয়ে ধরল সাধের মনিদি কে। মনিদিপার পেটের ওপরে দেবেশের গরম কঠিন লিঙ্গ মোচর দিচ্ছে, প্যান্টিটা যোনির রসে ভিজে উঠেছে। নিজেকে সামলানোর জন্য নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরল মনিদিপা। দেবেশের বুকে মাথা রেখে দুহাতে দেবশকে জড়িয়ে ধরল।

দেবেশের পেশী বহুল ছাতির ওপরে পিষ্ট হয়ে গেল মনিদিপার কোমল বুক জোড়া, স্তনের বোঁটা যেন দুটি উত্তপ্ত নুড়ি পাথর। দেবেশ নিজেকে আর সামলে রাখতে পারল না। মনিদিপাকে ঠেলে বিছানার ওপরে শুইয়ে দিল আর নিজে ওর ওপরে চরাও হয়ে গেল। কঠিন লিঙ্গটি সোজা গিয়ে ঘসা খেল ঢেকে থাকা যোনির ওপরে। নগ্ন লিঙ্গের ওপরে দেবেশ অনুভব করল মনিদিপার সিক্ততা। প্যান্টি ভিজে জবজব করছে।

“আস্তে রে, তাড়াহুড়ো করছিশ কেন তুই…” পিঠের ওপরে নখের আলত আচর কেটে বলল মনিদিপা।

“আমি আর পারছিনা গো মনিদি…” গোঙানো স্বরে বলে উঠল দেবেশ। কোমর নাড়াতে শুরু করল সাথে সাথে মনিদিপার যোনির ওপরে ঘর্ষণ খেতে শুরু করল কঠিন লিঙ্গ।
অস্ফুট স্বরে ককিয়ে উঠল মনিদিপা, “আস্তে আস্তে… প্লিস… একটু আস্তে কর… আমি পুর অনুভব করতে চাই তোকে…”

“কি করব মনিদি?” জিজ্ঞেস করল দেবেশ, “আজ থেকে আমি তোমার গোলাম…”

উত্তর দিল মনিদিপা, “আজ শুধু তুই আমাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাক, কিছু করতে হবে না তোকে…”

দেবশ বলল, “আমি যে আর পারছিনা মনিদি। আমার যে হয়ে যাবে…” দেবেশ লিঙ্গ দিয়ে ধিরে ধিরে চাপ দিচ্ছে মনিদিপা যোনির ওপরে। ভিজে প্যান্টি চেপে ঢুকে গেছে মনিদিপার যোনির চেরায়, ফোলা ফোলা দুটি পাপড়ির মাঝে। দেবশ নগ্ন লিঙ্গের ওপরে মনিদিপার পাপড়ি অনুভব করল। মনিদিপার যোনি অনুভব করল দেবেশের কঠিন লিঙ্গ, দেবশ কাঁপছে মনিদিপার নিবিড় কামঘন আলিঙ্গনে। আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলনা, হলকে হলকে বীর্যপাত ঘটিয়ে দিল দেবেশ।

সারা শরীরের সব শক্তিটুকু নিংড়ে নিয়ে দুইহাতে প্রাণপণে জড়িয়ে ধরল কামিনী মনিদিপাকে। মনিদিপার যোনিতে বান ডেকেছে, দশটা নখ বসিয়ে দিল দেবেশের পিঠের ওপরে। অস্ফুট শীৎকার করে উঠল মনিদিপা, “ফেলে দে, তোর মনিদির পেটের ওপরে ফেলে দে তোর যা আছে… আমার শরীর তোর…”

“আহ আহ আহ… মনিদি তুমি আমাকে স্বর্গে নিয়ে গেলে যে…” কম্পিত গলায় শীৎকার করে উঠল দেবেশ। বুকের ওপরে মাথা রেখে এলিয়ে পড়ল। মনিদিপা হাত বুলাতে লাগল নিস্বেশ দেবেশের পিঠের ওপরে। ধিরে ধিরে শ্বাস আয়ত্তে এল দুজনার। শক্তিহীন দেবেশ এলিয়ে পরে আছে মনিদিপার বুকে মাথা রেখে আর মনিদিপা আঙ্গুল দিয়ে ওর মাথার চুলে বিলি কাটতে কাটতে ঘুমিয়ে পড়ল।

বাচ্চা ছেলের মতন সুন্দর মুখ খানির দিকে তাকিয়ে মনিদিপা ভাবল, “কি যে ভুল করলাম এই ছেলেটাকে নিজের সর্বস্ব দিয়ে, এর যে কি পরিণতি হবে ভগবান জানে।” দেহের ক্ষুধা মেটানোর জন্য কামনা তাড়িত মনিদিপা দেবশকে নিজের ছলাকলায় জড়িয়ে নিয়ে পাড়ি দিয়েছে এক অজানা দিগন্তে।

User avatar
rajkumari
Platinum Member
Posts: 1095
Joined: 22 May 2016 03:53

Re: মনিদিপা - bengali sex novel

Unread post by rajkumari » 22 May 2016 04:08

ভোরের আলো ফোটার আগেই মনিদিপা ঘুম থেকে তুলে দিল দেবেশকে, “এই ছেলে ওঠ… আমাদের এই রকম ভাবে কেউ দেখে ফেললে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে।”

চোখ খুল্ল দেবশ, কামঘন আলিঙ্গনে সারা রাত দুই নর নারী কাটিয়ে দিল। কপালে একটা ছোট্ট চুমু খেয়ে মনিদিপা বলল, “আজ থেকে তোর হাথেখড়ি শুরু, রোজ রাতে আমরা নতুন খেলা খেলব…”

গালে গাল ঘষে জিজ্ঞেস করল দেবেশ, “তুমি এত সব জানলে কি করে”

ফিসফিস করে উত্তর দিল, “আমার কাছে না একটা কামাসুত্রার বই আছে, সেইখান থেকে সব পড়েছি।”

নাকে নাক ঠেকিয়ে বলল দেবেশ, “ও বাঃবা মেয়ের দেখছি অনেক জ্ঞান”

“যাঃ আমি ত শুধু জ্ঞান নিয়েছি তুইত একদম প্রথমেই আমাকে দিয়ে ফিতে কেটে নিলি…” উত্তর দিল মনিদিপা, “কেউ জেগে যাবার আগে যা এবারে। রাতে আসিস আবার শুরু করব আজ যেখানে শেষ করেছি।”

দেবশ প্যান্ট গেঞ্জি পরে ঠিক যেই রকম ভাবে ছাদ টপকে এসেছিল, ঠিক সেইরকম ভাবে আবার চলে গেল।

সারাদিন মাথার মধ্যে শুধু মনিদি আর মনিদি ঘুরে বেরাল, না পড়াতে মন বসে না খাওয়াতে। কলেজেও ঠিক ভাবে ক্লাস করতে পারল না দেবশ।

সেইরাত থেকে শুরু হল মনিদিপাদি আর দেবেশের রতি খেলার প্রথম ধাপ। প্রথমে শুধু মাত্র চুমু খেতে শিখাল মনিদিপা, কি রকম ভাবে মেয়েদের শরীরের নানান অঙ্গে প্রতঙ্গে চুমু খেতে হয়। মনিদিপা নিজের প্যন্টি খোলেনি একবারে জন্যও, দেবেশ কেও এখন পর্যন্ত হাত লাগাতে দেয়নি নিজের যোনির কাছে। এইভাবে চুমুর খেলা চলল দিন চারেক, বেশ পোক্ত হয়ে উঠছে দেবশ এই নতুন খেলায়। দিনে দিনে মনিদিপার মনের কোনে যা কামনার আগুন ছিল তা এক এক করে পূরণ করতে থাকল দেবেশ।

পঞ্চম রাতে, দেবশ মনিদিপাকে জিজ্ঞেস করল, “মনিদি, তুমি কি করতে চাইছ বলত, শুধু মাত্র আমি তোমার সারা শরীরে চুমু খেয়ে বেড়াব আর তুমি মজা নেবে? আমি নিজের মজা কবে নেব।”

মনিদিপা শুধু মাত্র প্যান্টি পরা, দেবেশের দিকে দুই হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে রইল, “আমার সামনে এসে দাঁড়া, আজ তোর কুমারত্ব তুই আমাকে দে আর আমি আমার অক্ষতযোনি তোকে দেব।”

অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল দেবেশ, নিজের কান কেও যেন বিশ্বাস করতে পারছে না যে সাধের মনিদি এখন কুমারী। “তুমি ভারজিন?”

ঠোঁটে মিষ্টি হাসি লেগে আছে, দু চোখে কামনার ঝলসান আগুন। মাথা নাড়াল মনিদিপা, “হ্যাঁ রে আমি ভার্জিন। সো ডিয়ার হ্যান্ডেল উইথ কেয়ার। সেইজন্য ত তোকে এত পরিশ্রম করালাম যাতে আমার প্রথম সুখটা চিরস্থায়ী হয়ে থাকে। আয় আমার কাছে আয় আর যা করতে চাস তাই কর।”

দেবেশ মনিদিপার দিকে এগিয়ে গিয়ে হাঁটু গেঁড়ে ওর সামনে বসে গেল। চোখের সামনে ছোটো লাল প্যান্টি আর তার পেছনে রয়েছে স্বর্গ সুখের দ্বার। লাল প্যান্টি যোনি রসে ভিজে কালচে হয়ে গেছে আর যোনির ফোলা ফোলা পাপড়ির মাঝের চেরা টা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। দুই হাত নিয়ে গেল প্যান্টির এলাস্টিকে, আস্তে আস্তে করে নামিয়ে আনল পাতলা পরিধান। চোখের সামনে, নরম রেশমের মতন ছোটো ছোটো চুলে ঢাকা, ফোলা গোলাপি যোনি। কুঞ্চিত রোম ভিজে রয়েছে যোনির রসে। একরকম মন ধাঁধান সুগন্ধ আসছে সিক্ত যোনি দেশ থেকে। দেবেশ মুখ তুলে তাকাল মনিদিপার মুখের দিকে, হাসছে মনিদিপা ওর চোখের দিকে তাকিয়ে।

“কিরে কি করবি ভেবে পাচ্ছিশ না…” জিজ্ঞেস করল মনিদিপা।

মাথা নাড়ল “না… তুমি বলে দাও আমাকে আমার সুন্দরী দেবী প্রতিমা, যেমনটি করে এই পর্যন্ত শিখিয়েছ এর আগেও তুমি আমাকে শিখিয়ে দাও…”

দেবশের হাত চলে গেল মনিদিপার সুডোল পাছার ওপরে, আলত করে চাপ দিচ্ছে দেবেশ নরম তুলতুলে নারী মাংসে। যোনির রস যেন আরও বেশি করে নির্যাস হতে শুরু করে দিয়েছে। মনিদিপার পা কাঁপতে শুরু করল। দেবেশের গরম নিঃশ্বাস সোজা মনিদিপার যোনীর ওপরে পড়ছে।

“মুখ নিয়ে যা আমার ওখানে… হ্যাঁ… হ্যাঁ… আস্তে আস্তে চাট… হ্যাঁ রে সোনা, ঠিক হচ্ছে… জিব বের কর… ঊফফ মাগো হ্যাঁ… আর একটু ওপরে চাট…” বিছানায় হেলান দিয়ে পা ফাঁক করে দাঁড়িয়ে মনিদিপা, দুই হাতে দেবেশের চুলের মুঠি খামচে ধরল, “হ্যাঁ… রে সোনা, আমি আর পারছিনা… হ্যাঁ চাট চাট।। উফফফ… ওই ওপর টা একটু বেশি করে চাট… হ্যাঁ রে … এবারে জিব ঢুকিয়ে দে ভেতরে… উফফফ কি করছিস… আস্তে আস্তে …পাছার ওপরে ওইরকম ভাবে খামচি মারিস না দেব সোনা আমার… হ্যাঁ জিব ঢুকিয়ে নাড়া, একবার বের কর একবার ঢোকা… উফফ কি যে আরাম তোর জিবের ছোঁয়ায় বলে বুঝাতে পারবনা রে… দেব তুই আমাকে পাগল করে দিচ্ছিস… জোরে চাট আরও জোরে চাট… আআআআআআ…… ,মমমমম…… আমার সারা গায়ে পোকা কিলবিল করছে রে দেব… আমি দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিনা…। আমি মরে গেলাম… আআআআআ…… তুই আমাকে শেষ করে দিলি সোনা …” মনিদিপার সারা শরীর কাঠ হয়ে গেল, দুই হাতে দেবশের চুলের মুঠি ধরে যোনীর ওপরে ওর মুখ ঘষতে শুরু করে দিল। দেবশ খামচে ধরল মনিদিপার পাছার নরম তুলতুলে মাংস। “হ্যাঁ সোনা দেব আমার… আরও চাট চাট… নিচে একটু নিচে যা… উফফফফ মাগো…।” মনিদিপা শীৎকার করে দেবশের চুল ছেড়ে দিয়ে নেতিয়ে পড়ল বিছানার ওপরে। বুকে যেন কামারের হাপর টানছে, শ্বাসে যেন আগুন বয়ে চলেছে, বিশাল সুগোল স্তন দুটি যেন ঢেউয়ের মতন উপর নিচে দোল খাচ্ছে।

দেবেশ আস্তে করে বিছানার ওপর উঠে পরে মনিদিপার পাশে শুয়ে পড়ল। কতক্ষণ চোখ বন্দ করেছিল মনিদিপা তার টের নেই, চোখ খুলল যখন দেবশের জিব ওর স্তনের বোঁটা নিয়ে খেলছে। আধাখোলা চোখে তাকিয়ে রইল মনিদিপা দেবশের দিকে, “তুই ভারী দুষ্টু ছেলে, আমাকে পাগল করে ছেড়ে দিলি শুধু মাত্র তোর জিব দিয়েই তাহলে তোর ওটা যখন আমার ভেতরে যাবে তাহলে আমার কি হবে আমি জানিনা। হয়ত আমি সুখের আনন্দে মারা যাবো রে…”

User avatar
rajkumari
Platinum Member
Posts: 1095
Joined: 22 May 2016 03:53

Re: মনিদিপা - bengali sex novel

Unread post by rajkumari » 22 May 2016 04:08

হাত দিয়ে ঠোঁট চেপে ধরল দেবেশ, “মনিদি মরে যাবার কথা বল না যেন…” তারপরে নাকে নাক ঘষে বলল, “এখন অনেক রাত বাকি… তুমি আমাকে আরও কিছু শিখাবে না…”

মনিদিপা হাত বাড়িয়ে আলত করে ছুঁয়ে দেখল দেবেশের লৌহ কঠিন লিঙ্গ, “বাপ রে অনেক শক্ত আর গরম হয়ে আছেরে তোরটা। বারে ত বাবাজি কে শান্ত করতে হয়…”
মনিদিপার নরম হাতের ছোঁয়া পেয়ে দেবেশের লিঙ্গ আরও টানটান হয়ে উঠল, কেঁপে উঠল সারা শরীর। কাঁপা গলায় বলল, “তুমি আমাকে বলে দেবে আর আমি তোমাকে নিয়ে যাবো সুখের দোরগোড়ায়…”

“আয় আগে আমার ওপরে উঠে আয়…” দু পা ফাঁক করে মনিদিপার পেলব থাইয়ের মাঝে শুয়ে পড়ল দেবেশ। লিঙ্গ একদম যোনীর মুখের কাছে, থেকে থেকে ধাক্কা মারছে যোনীর দ্বারে। মনিদিপা ওর সুগোল পেলব থাই আরও ফাঁক করে দিল যাতে দেবেশের কোন অসুবিধা না হয়, তারপরে বলল, “এই বারে হাতে নে ত ওটাকে,… হ্যাঁ… আলত করে তোর পাছা উচু কর… তাহলে দখবি একটু জায়গা পাবি… হ্যাঁ এইত… এইবারে ওটা দিয়ে আমার ওখানে আলত করে ঘষতে শুরু কর… উফফফফ… কিযে হচ্ছে না আমার… দেএএএবেএএএএএএশ…… হ্যাঁ হ্যাঁ… আরও একটু জোরে ঘষ বড় আরাম লাগছে রে… এই প্রথম কারুর ঘষা খাচ্ছি আমি… আমার সবকিছু নিয়ে নে তুই… আহ…আহ…আহ… এই বারে আস্তে করে শুধু মাত্র ডগাটা ঢোকা… উফফফ মাগো… কি গরম তোরটা রে… জ্বালিয়ে দিল মনে হচ্ছে… আমার টা যেন ফাঁকা… আআআআআআআ…। হ্যাঁ সোনা একটু আস্তে আস্তে ঢোকা দেবু… আমি ভার্জিন সোনা… উফফফ কি হচ্ছে….. আঃআঃআঃআঃআঃ… ঢোকা আস্তে আস্তে… হ্যাঁ উফফফ মাগো এত গরম আর এত শক্ত কেন হতে গেলিরে… জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিবি মনে হচ্ছে আজ আমাকে… আর একটু ঢোকা… আস্তে ঢোকাস কিন্তু…… না আর পারছিনা…” ঠোঁট কামড়ে ধরল মনিদিপা। দেবেশের শক্ত গরম লিঙ্গ আমুল গেঁথে গেছে মনিদিপার কুমারী যোনীর গর্ভে। ব্যাথায় ককিয়ে উঠল মনিদিপা, “না … দেবেশ… নাড়াস না রে… আমি মরে যাচ্ছি… পেট ফেটে বেড়িয়ে গেল মনে হচ্ছে যে…”

লিঙ্গ আমুলে গেঁথে গিয়ে যেন মনিদিপার মাথায় ধাক্কা মারছে। ব্যাথার চোটে চোখের কোনে জল চলে এল। দাঁতে দাঁত পিষে ব্যাথা সহ্য করে নিল মনিদিপা। মাথা বেঁকিয়ে গেছে পেছন দিকে। বুক জোড়া আকাশের দিকে উঠে গেছে। ধনুকের মতন বেকে উঠেছে মনিদিপার শরীর।

দেবেশ সাধের মনিদির চোখে জল দেখে ঘাবড়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, “কি হয়েছে তোমার, তোমার কি খুব লাগছে… আমি বের করে নেব… বল না…”

দু হাতে পুর শক্তি দিয়ে জড়িয়ে ধরল দেবেশকে, মাথা নাড়াল মনিদিপা, “না রে … ব্যাথা ত লাগছে কিন্তু কি যে আনন্দ, কিযে সুখ তোকে বলে বুঝাতে পারব না…” একটু খানি থেমে মনিদিপা নির্দেশ দিল, “এই বারে পুরটা বের কর, হ্যাঁ হ্যাঁ… এবারে আবার আস্তে আস্তে ঢোকা… পুরটা ঢুকাস না, শুধু মাত্র অর্ধেকটা ঢুকাস… আবার বের করে নে… আবার ঢুকা… হ্যাঁ করতে থাক… ব্যাস ব্যাস… এবারে আস্তে করে পুরটা বের কর… শুধু মাত্র যেন তোর শক্ত গোল মাথাটা আমার চেরায় থাকে… হ্যাঁ এই ত… ব্যাস… এবারে পুরোটা ঢুকিয়ে দে… উফফফ… আস্তে ঢোকা রে ছেলে… একরাতে মেরে ফেলবি নাকি আমাকে… হ্যাঁ একটু দাঁড়িয়ে থাক… হ্যাঁ রে … আবারে আবার পুরোটা বের করে নে… করে নে্*… হ্যাঁ উফফফ…। ঢুকিয়ে দেরে দেরি করিস না… এবারে জোরে জোরে ঢুকিয়ে দে আর বের কর…। উফ মাগো…। উম্মম্মম্মম্মম্মম্ম……। আঃ আঃআঃআঃআঃআঃআঃ দেএএএএএএবেএএএএএএএশ…। আমার কিছু হচ্ছে সোনা আমার… আমাকে জড়িয়ে ধর… পিষে নিংড়ে ফেল… উম্মম…”

দেবশ একটা স্তন হাতে নিয়ে টিপছে, মুচরে দিচ্ছে স্তনের বোঁটা, আরেক স্তনে জিব দিয়ে আদর করছে আর বোঁটা নিয়ে চুষছে। দেবেশের বীর্য নাভি থেকে উপরে উঠতে শুরু করল… হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, “মনিদি আমারও আসছে… কি করব বের করে নেব?”

শীৎকার করে উঠল মনিদিপা, “না রে দেবু… তুই আমাকে আরও জোরে কর… পুরোটা ঢুকিয়ে গেঁথে দে আমাকে বিছানার সাথে… হ্যাঁ আমার ভেতরে ছেড়ে দে তুই… উফফফফ” দুই পা দিয়ে দেবেশের কোমর জড়িয়ে ধরল মনিদিপা, বিছানার চাদর খামচে মেরে শক্ত করে ধরল, সারা শরীরে যেন বিদ্যুৎ খেলে বেড়াচ্ছে। দেবেশ লিঙ্গটা পুর বের করে এক সজোর ধাক্কা মেরে মনিদিপার যোনি গর্ভে ঢুকিয়ে দিল, ঝলকে ঝলকে বীর্য বেড়িয়ে মনিদিপার যোনি ভরে দিল। মনিদিপা দুই হাতে দেবেশ কে জড়িয়ে ধরে কাঠ হয়ে গেল। মিলিত রসে সিক্ত হয়ে গেল বিছানার চাদর।

অনেকক্ষণ পরে মনিদিপা চোখ খুলে তাকাল, দেবেশ ওর বুকের ওপরে মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছে আর যোনীর ভেতরে ছোট্ট নেতান লিঙ্গ। মনিদিপা আদর করে দেবেশের মাথার চুলে বিলি কেটে দিতে থাকে আর ভাবতে থাকে, “আমার শরীররে সব সুধা আজ তোর হয়ে গেল… তবে আমি জানিনা… আমি কি করেছি… তোকে এই আগুনের খেলায় নিয়ে আসা উচিত ছিলনা আমার। আমার যে এত খিধে থাকতে পারে আমি বুঝিনি রে সোনা…”

ভোরের আলো ফোটার আগেই দেবশকে তুলে দিল মনিদিপা, “এই ছেলে ওঠ, আজ রাতে আবার দেখা হবে…”

ঘুম ঘুম চোখ মেলে তাকিয়ে রইল দেবেশ, আরও নিবিড় করে জড়িয়ে ধরল মনিদিপাকে, “মনি… তুমি আমাকে তোমার সবকিছু দিয়ে দিলে… আমি আজ থেকে তোমার গোলাম হয়ে থাকব…”

একটা বাঁকা হাসি হেসে উত্তর দিল মনিদিপা, “বাপ রে, একরাতে আমি মনিদি থেকে সোজা মনি তে নেমে এলাম… অনেক আদিখ্যেতা হয়েছে তোর… এবারে উঠে পর…”
আরও জোরে জড়িয়ে ধরল দেবশ, মনিদিপার উদ্ধত স্তনের ওপরে মুখ ঘষে বলল, “উম্মম্মম্মম্মম………আরেকটু শুয়ে থাকতে দাওনা মনিদি…”